বেকায়দায় এ্যাটলেটিকো আশাবাদী পিএসজি

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক.
প্রিকোয়ার্টার (শেষ ষোলো) ফাইনালের লড়াই শেষে এবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনাল মাঠে গড়ানোর পালা। তবে অন্যবারের মতো এবার আর ডাবল লীগ ম্যাচ হবে না। করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সিঙ্গেল লেগেই ফয়সালা হবে ম্যাচের ভাগ্য। নকআউট রাউন্ডের সব ম্যাচ হবে পর্তুগালের লিসবনে। তবে শেষ আটে মাঠে নামার আগে বড়সড় ধাক্কা খেয়েছে স্প্যানিশ ক্লাব এ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। বৃহস্পতিবার রাতে টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে এ্যাটলেটিকো খেলবে জার্মান ক্লাব আরবি লাইপজিগের বিরুদ্ধে। কিন্তু সেমিফাইনালের টিকেট নিশ্চিত করার ম্যাচে মাঠে নামার আগে এ্যাটলেটিকোর দুইজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেশ বেকায়দায় আছে স্প্যানিশ ক্লাবটি। অন্যদিকে বুধবার রাতে প্রথম কোয়ার্টার ফাইনালে ফরাসী ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) বিরুদ্ধে লড়বে ইতালির সিরি’এ লীগের দল আটালান্টা। এই ম্যাচে স্পষ্ট ফেবারিট হয়েই মাঠে নামছেন নেইমার-ডি মারিয়ারা। ম্যাচটি জিতে সেমিতে খেলার আশার কথা জানিয়েছে প্যারিসের পরাশক্তিরা। করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে বিবৃতিতে এ্যাটলেটিকো জানিয়েছে, উয়েফার প্রোটোকল অনুযায়ী মূল দলের সব খেলোয়াড় ও স্টাফদের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আমরা রিপোর্টের ফলাফল হাতে পেয়েছি। ফলাফল অনুযায়ী দুজন খেলোয়াড়ের দেহে করোনার সংক্রমণ ধরা পড়েছে এবং তাদের নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। অবশ্য এ্যাটলেটিকোর পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি পজিটিভ হওয়া দুজন খেলোয়াড় বা স্টাফ কিনা। ক্লাবটি জানিয়েছে ইতোমধ্যেই বিষয়টি তারা উয়েফার পাশাপাশি স্প্যানিশ ও পর্তুগীজ ফুটবল এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদফতরে জানিয়ে দিয়েছে। লিসবনে যাওয়ার আগে নতুন করে আবারও খেলোয়াড় ও স্টাফসহ পুরো দলের করোনা পরীক্ষা করা হবে। তারা স্বীকার করেছে এর ফলে শেষ মুহূর্তে ট্রাভেল সিডিউলসহ পর্তুগালের আবাসন পরিকল্পনাও পরিবর্তন আনা হবে। এ বিষয়ে এ্যাটলেটকো জানিয়েছে, উয়েফার সঙ্গে ইতোমধ্যেই নতুন সিডিউল নিয়ে সমন্বয় করা হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব সবকিছুই জানানো হবে। সময় সংক্ষেপের কারণে শেষ অংশের ফরমেটে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফাইনাল এইট নামে পরিচিত চূড়ান্তপর্বে এবার সিঙ্গেল লেগ পদ্ধতিতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। সবগুলো ম্যাচই হবে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। আগামী ২৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে এবারের আসরের ফাইনাল ম্যাচ। ফাইনাল এইটকে সামনে রেখে উয়েফা কঠোর স্বাস্থ্যবিধির নির্দেশ দিয়েছে। প্রতিটি দলকে পর্তুগাল সফরের আগে টেস্টের ফলাফল দেখাতে হবে। এমনকি প্রথম ম্যাচের আগে আবারও তাদের পরীক্ষা করা হবে। প্রতিটি পজিটিভ খেলোয়াড়কে সেলফ আইসোলেশনে পাঠানো হবে। মার্চ মাস থেকে করোনার কারণে বন্ধ থাকার পর গত শুক্র ও শনিবার পুনরায় শেষ ষোলোর দ্বিতীয় লেগের বাকি থাকা ম্যাচগুলো দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগ মাঠে গড়িয়েছে। গত ১৯ জুলাই স্প্যানিশ লা লিগা শেষ হওয়ার পর ২৬ জুলাই ও ২ আগস্ট দুই ধাপে খেলোয়াড়দের করোনা পরীক্ষা করা হয়।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *